জার্নাল ডেস্ক
11 November 2019
  • No Comments

    ময়মনসিংহে মুক্তিযোদ্ধা বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাংচুর

    ইলিয়াস আহম্মেদ:

    ময়মনসিংহ নগরীর বলাশপুর মুক্তিযোদ্ধা আবাসন পল্লীতে এক মুক্তিযোদ্ধার বসত বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার রাতে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের বসত বাড়ির নব-নির্মিত সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে জাটিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন। তবে তাদের দাবি চলাচলের রাস্তার মধ্যে বাউন্ডারী পড়ে যাওয়ায় আবাসনের সভাপতির নির্দেশেই তা ভাংচুর করা হয়েছে। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান বলেন, আমার জায়গার মধ্যে আমি বাউন্ডারী ও টয়লেট নির্মাণের কাজ করছি। এই বিষয়টি শফিকুল ইসলাম ভালো ভাবে নেয়নি। সে দাবি করে আমি রাস্তা দখল করে এসব করছি। কিন্তু মানুষের চলাচলের জন্য একটি রাস্তা রয়েছে। তাও শফিকুল আমার জায়গার মধ্যে আমাকে বাউন্ডারী না করতে হুমকী দিয়ে আসছে। এবং সরকারী জায়গার মধ্যে সে একটি গাছও কেটে ফেলে। আমি তার হুমকীকে তোয়াক্কা না করায় সে বাহির থেকে লোকজন নিয়ে রাতে বাউন্ডারী ও নির্মাণাধীন টয়লেট ভেঙ্গে দিয়েছে। এবিষয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এই ঘটনার সুষ্ট বিচার দাবি করছি।
    স্থানীয়রা জানান, শফিকুল ইসলাম নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বাহিরের লোকজন দিয়ে বাউন্ডারী ভাঙ্গিয়েছে। আমরা তাকে সুপারিশ করছি এসব না করার জন্য কিন্তু কে শুনে কার কথা। এসব কান্ড ঘটিয়ে সে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
    ভূমি অফিসের সহকারী শফিকুল ইসলাম বলেন, চলাচলের জন্য রাস্তা রেখে বাউন্ডারী নির্মাণ করার জন্য আমরা তাদেরকে বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কথা না শোনায় এলাকাবাসীর স্বার্থে আবাসনের সভাপতির নির্দেশে বাউন্ডারী ভাঙতে বাধ্য হয়েছি। ঘটনাটি আমি নিজে পুলিশকে জানিয়েছি।  
    মুক্তিযোদ্ধা আবাসন পল্লীর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব বলেন, চলাচলের রাস্তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে তাদের মধ্যে একটু ঝামেলা চলছে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় ভাবে বসে মীমাংসার চেষ্টা করছি।
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপাতত সেখানে সকল ধরনের কাজও বন্ধ রয়েছে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *