জার্নাল ডেস্ক
20 October 2019
  • No Comments

    বদলে গেছে ময়মনসিংহ পাসর্পোট অফিসের দৃশ্যপট, ক্ষুব্ধ দালাল সিন্ডিকেট

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    আগের মত দালাল বেষ্টিত অবস্থায় নেই ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিস। নেই দালালদের দ্যৌরাত্ব। ফলে স্বচ্ছতা আর জবাবদিহীতামূলক কার্যক্রমে বদলে গেছে সরকারের সেবামূলক এ প্রতিষ্ঠানের ভেতরে-বাইরের দৃশ্যপট। প্রতিষ্ঠানটিকে ঘোষনা করা হয়েছে দূর্নীতিমুক্ত। এতে বেজায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন পাসর্পোট দালাল সিন্ডিকেট।
    সূত্র জানায়, দালালদের আধিপত্য বন্ধ হওয়ায় ও যাকে তাকে দিয়ে পাসপোর্ট আবেদনকারীর ফরম গ্রহন না করায় সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাসপোর্টের আবেদনকারীরা তাদের আবেদন জমা দিচ্ছেন। গত কয়েক দিনে পাসপোর্ট অফিসের এ আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। এই অফিসে দালালী করে অনেকে বনেছেন কোটিপতি। হয়েছেন বাড়ী-গাড়ীর মালিক। কিন্তু এ সকল অনিয়ম বন্ধ হওয়ায় অফিসে সচ্ছতা ফিরেছে। কমেছে ভোগান্তি। এসবই হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে সদ্য যোগদান করা সহকারী পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসানের স্বদিচ্ছার কারণে। কিন্তু এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অনিয়মের সুবিধা বঞ্চিতরা এখন দল পাকাচ্ছে। কি ভাবে সহকারি পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসানকে শায়েস্তা করে বশে আনা যায়। ফলে পাসপোট অফিসের দালালরা কোমর বেধে লেগেছেন অফিস কর্তার বিরুদ্ধে। ফলে গত কয়েক দিন ধরে ময়মনসিংহের বেশ কিছু স্থানীয় পত্রিকায় সহকারি পরিচালককে সংবাদের শিরোনাম হচ্ছে। তোলা হয়ে অনিয়ম দূর্নীতির মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। অথচ বর্তমানে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালদের আনাগোনা নেই। সকল কার্যক্রমে মানা হচ্ছে সিরিয়াল। এসে সাচ্ছন্দবোধ করছেন সেবা প্রার্থীরা।
    জানা যায়, পাসপোর্ট অফিসের প্রচার এবং সেবা সহজ হওয়ায় আবেদনকারীদের পাসপোর্ট করতে এখন আর ভোগান্তি নেই। ফিঙ্গার প্রিন্ট থেকে ডেলিভারী পর্যন্ত গ্রাহক এখন সব ভোগান্তি থেকে মুক্ত। ফুরিয়ে গেছে দালালদের প্রয়োজনীয়তা। সরকার নির্ধারিত সময়ে হয়রানী ও প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই সঠিকভাবে গ্রহিতার হাতে পৌছে যাচ্ছে পাসপোর্ট। অথচ এই কাজের জন্য বিগত দিনে মানুষকে পাসপোর্ট অফিসে ঘুরতে হতো দিনের পর দিন। অগত্যা ঝামেলা এড়াতে টাকা দিয়ে ধরতে হতো দালাল। আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ব্যবস্থাপনার পরিবর্তনে এখন গ্রাহকের ভোগান্তি কমেছে। সেবা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন পাসপোর্ট করতে আসা সাধারন জনগন।
    ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে দেখা যায়, সারিবদ্ধ ভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন মানুষ। কেউ হারিয়ে ফেলেছেন পাসপোর্ট, কেউ নতুন পাসপোর্ট করছেন। আবার কারও পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। চাহিদা অনুযায়ী কাউন্টারে দেয়া হচ্ছে দ্রুত সেবা। পুরোপুরি ডিজিটাল সেবা। আর এই ডিজিটাল সেবার পিছনে যার অবদান তিনি হলেন ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসান। ভদ্রতা, ন¤্রতা ও শালীনতার মানুষ তিনি। পাসপোর্ট আবেদনকারীরা তার কাছে যে কোন সমস্যা নিয়ে কথা বললে তিনি সব্বোর্চ চেষ্টা করেন সমাধান করার এবং সমাধানও হয় দ্রুত। কর্মক্ষেত্রে গাজী মাহমুদুল হাসান এর এমন সুন্দর আচরণে পাসপোর্ট আবেদনকারীরা মুগ্ধ হয়েছেন। এটি তার গুনাবলির বহি:প্রকাশ। নিঃসন্দেহে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের আমূল পরিবর্তনে কৃতিত্বের দাবীদার বর্তমান উপ-পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসান ।
    এসব বিষয়ে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক গাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে আমি ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিসে সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেছি। এবং যোগদান করেই সরকারের সেবামূলক এ প্রতিষ্ঠানটিকে দূর্নীতিমুক্ত ঘোষনা করে স্বচ্ছতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কিন্তু একটি চিহ্নিত দালাল সিন্ডিকেট আমার কার্যক্রমে ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে আমাকে এবং আমার প্রতিষ্ঠানকে হেয় করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এ জন্য আমি সেবা প্রার্থীদের সহযোগীতা কামনা করছি।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *