জার্নাল ডেস্ক
1 October 2019
  • No Comments

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে রশিদের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও জমি দখলের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রিতবেদক:
    ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার উজানপাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুল কাদের মুন্সির ছেলে আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতিসহ অনৈতিক কর্মকান্ডের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    ভুক্তভোগী ত্রিশাল উজানপাড়া আলীম মাদ্রাসার দফতরীর মতিউজ্জামন মতিউর বলেন, বিশেষ কারণে আব্দুর রশিদের কাছ থেকে ষাট হাজার টাকা ধার নেন চেকের মাধ্যমে। উক্ত টাকা প্রতি মাসে বেতনের মুল টাকা পাঁচ হাজার থেকে তিন হাজার টাকা চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করার চুক্তি হয়। কিন্তু সে চুক্তি ভঙ্গ করে বেতনের পুরো টাকা উত্তোলন করে নেয়।একটি চেক বইয়ের সবগুলো পাতা শেষ হলে পুনরায় আরেকটি চেক বই দেওয়া হয়। দুটি বইয়ে তাকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিলো তার সাথে চুক্তি মোতাবেক ১লাখ ২০হাজার দেওয়া হলেও নতুন করে ৩টি চেক বইয়ের পাতা জাল করে আমার একাউন্ট অগ্রণী ব্যাংক ত্রিশাল শাখা সঞ্চয়ী হিসাব নং ৩৪০০২৮৪৩ থেকে জালিযাতি করে টাকা উত্তোলন করেন। চেক বই চাওয়া হলে কাল

    বিলম্ব করতে থাকে সে। এখন পযর্ন্ত সে আমার বেতনের টাকা উত্তোলন করছে । প্রতিবাদ করলে আমাকে হত্যার ‍ভয় দেখাতে থাকে তার ভয়ে অন্যত্র রাত যাপন করছি। বেতনের চেক বই তার কাছে থাকায় পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে দিন যাপন করছি। আমার বিরুদ্ধে উল্টো থানায় মিথ্যা মামলা করে আমাকে হয়রানি করছে।

    আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন সুরাহা না পেয়ে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের বরাবরে অভিযোগ দায়ের করি।

    স্থানীয় ওয়াইম্যাক্স স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি আ: রহমান বিপ্লব জানান ,কিছুদিন আগেও আব্দুর রশিদ রাস্তায় রাস্তায় লুঙ্গি ও গামছা বিক্রয় করে দিন যাপন করতো। বর্তমানে সে কোটি কোটি টাকার মালিক, শুধু ত্রিশালেই রয়েছে ৪টি আলিশান বাড়ি, নামে বেনামে রয়েছে অনেক জায়গা। টাকার জন্য যে কোন কাজ করতে দ্বিধা করে না । মেয়ে লোক নিয়েও রয়েছে অনৈতিক কর্মকান্ড।

    উজানপাড়ার মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আব্দুর রশিদ একজন ভুমিদস্যু । সে এত কালো টাকার পাহাড় গড়ে তোলেছে যে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না, এমন কি স্থানীয় সাংবাদিক পযর্ন্ত ভয় পায় তার অপকর্মের কারনে। পৌরসভার রাস্তায় প্রাচীর নির্মান করে জমি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট।

    তিনি আরও বলেন, আমার নিজের জায়গা জোর করে বাউন্ডারি নিমার্ণ করেছে সে। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে । এলাকাবাসীর দাবী এমন অত্যাচারিকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানিয়েছেন ।
    হাফেজ মোঃ মাওলানা হাবিবুল্লাহ মোজাহেদ বলেন, শিক্ষকসহ প্রায় ৫০০ জনের চেক বই আব্দুর রশিদের কাছে। অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজারের প্রশ্রয়ে রশিদ এ ধরনের কাজ করছে।
    এ ব্যাপারে ত্রিশাল অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক খাইরুজ্জামান আরিফ আঃ রশিদের ব্যাপারে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান । এ ব্যাপারে আব্দুর রশিদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *