জার্নাল ডেস্ক
23 September 2021
  • No Comments

    মাদারগঞ্জে ভায়রাকে বাবা সাজিয়ে জমির দলিল

    নিজস্ব প্রতিবেদক:


    জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিজের ভায়রাকে সম্পর্কে পিতা দেখিয়ে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে।   ভুক্তভোগির অভিযোগ এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রার এবং দলিল লেখক মাজেদুল ইসলামের।

     গত ২৯ আগস্ট এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। জানা যায় উপজেলার বাসিন্দা নাজির হোসেনের দুই ছেলে সুজন ওরফে ডাবলু এবং শাবলু।

    নাজির হোসেনের ছোট ছেলে শাবলুর অভিযোগ, সম্প্রতি তিনি সাব রেজিষ্টার অফিসে অন্য একটি দলিলের নকল তুলতে যান। পরে জানতে পারেন সহোদর বড় ভাই সুজন তার ভায়রাকে বাবা সাজিয়ে অর্থাৎ নাজির হোসেন ওরফে চটকু সাজিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে বাবার ৬৮ শতাংশ জমি লিখে নেন। জমিটির আনুমানিক মূল্য অর্ধ কোটি টাকা।

    এই ঘটনার পর ওই জালিয়াতি দলিলের নকল তুলতে গেলে নকল দিতে সাব রেজিষ্টার নকল দিতে নিষেধ করেছেন বলে ছোট ভাই শাবলুর অভিযোগ।

    তিনি আরো বলেন, আমাকে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে বড় ভাই উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার এবং দলিল লেখক এর যোগসাজশে কারসাজি করে এ দলিল তৈরি করেন। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং চরম জালিয়াতি। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    দলিল লেখক মাজেদুল ইসলাম জানান, আমার এক সহকর্মী আমাকে দলিলটি করতে বলেন আমি দলিল সম্পাদানের পরে জানতে পারি ভায়রা কে বাবা বানিয়ে দলিলটি করা হয়েছে।বিষয়টি আমার জানা ছিল না।

    মাদারগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ফরিদুল হক বলেন, এই বিষয় নিয়ে অফিসে ঝামেলা চলছে। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার।

    জামালপুর জেলা সাব রেজিষ্টার জহুরুল ইসলাম বলেন, যদি ভায়রাকে বাবা সাজিয়ে দলিল সম্পাদন করে থাকে তবে মামলা করলে দলিল বাতিল হয়ে যাবে। উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার ওই দলিলের নকল দিতে নিষেধ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই।

    এ বিষয়ে জানতে মাদারগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে বার্তা দিলেও কোন ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *