জার্নাল ডেস্ক
6 March 2021
  • No Comments

    তারাকান্দায় মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে মিল নেই বিদ্যুৎ বিলের!

    সাগর তালুকদার,তারাকান্দা:

    ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় পিডিবি’র বিদ্যুতের মিটার রিডিংয়ের সঙ্গে মিল নেই বিদ্যুৎ বিলের!গ্রাহকের মিটারের চাকা ঘুরে আর মিটার ইউনিট না দেখেই ভুতুরে বিল করছেন সংশ্লিষ্ট ফুলপুর ও তারাকান্দা দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা কর্মচারীরা । ফুলপুর ও তারাকান্দা বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার যোগদানের পর থেকেই তারাকান্দা বিদ্যুতের ভুতুরে বিল ও গ্রাহক হয়রানি চরমে।
    ওই সকল বারতি বিলের মদদদাতা হিসাবে কাজ করছেন ফুলপুর উপ- সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার
    আর প্রত্যেক মাসে ভুতুড়ে বিল পরিশোধ করতে গ্রাহকের হাতে কাগজ ধরিয়ে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগের নিয়োজিত তাদের পছন্দের লোক।
    উপ- সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার এর কারনে মাসের পর মাস বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের সঙ্গে একই ধরনের অনিয়মের কাজটি করে আসছে সংশ্লিষ্টরা। প্রতিকার পেতে ভুক্তভোগীদের বারবার সংশ্লিষ্টদের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়তে হচ্ছে।
    কিন্তু আশানুরূপ সাড়া মিলছে না সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে- অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর। উল্টো গ্রাহকদের বিল দেয়া ও আদায়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। মিটার রিডিংয়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অনেক সময় রিডিং ফাস্ট হয়ে যাই ওই সকল বিষয় নিয়ে মিটার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে উপ- সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার’কে অবগত করলেও কোন কর্ণপাত করেন না উৎকোস ছাড়া কোন কাজ হয় না বলে জনান একাদিক বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ।
    ভুক্তভোগীরা আরো জানান, বিদ্যুৎ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ছে না। এরপরও ঘুরছে মিটারের চাকা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মিটারের ডিজিটগুলো। তবে বাস্তবে না। হাতের মারপ্যাঁচে করা হচ্ছে এ কাজটি। ইচ্ছেমতো বিল কষে গ্রাহকদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ বিলের কপি।
    গত ৩ ফ্রেরুয়ারী রোজ বুধবার তারাকান্দা উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া ও অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ অভিযানে উপ- সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা উপস্থিত থাকা কালীন সয়ম বিদ্যুৎ স্পর্শে ইলেক্ট্রিশিয়ান মেস্তরী জাজাল উদ্দিনের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় । দ্বায়িত্ব অবহেলা ও বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভুতুরি বিলের শেষ কোথাই। এ ছাড়াও লাইন্যানদের অবহেলায় ছোটখাট দুর্ঘটনা হরহামেশাই ঘটে থাকে লাইনের খবর না বিভিন্ন দোকানে বসে সময় পার করেবলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজিব সরকার কথা বললে ,
    গ্রাহক বাড়তি বিল কেন দেবে- এমন প্রশ্নের জবাব কৌশলে এড়িয়ে যান তিনি।
    পরে বিষয় নিয়ে ফুলপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী’কে ফোন করলে তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নাই।
    তবে বিষয় নিয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান , বারতি বিলের বিষয়ে উপজেলায় মিটিং করে রেজুলেশনের মাধ্যমে বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানানু হয়েছে এরা কোন কথা শুনছে না

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *