সরিষাবাড়ি মার্কেট ও পোল্টি ফার্ম বন্ধ করে দিলো দূবৃত্তরা

প্রকাশিত: ৭:৫৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২, ২০২১

মিঠু আহমেদ,জামালপুর:

জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার রায়েদের পাড়া এলাকায় জমি নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরধরে দীর্ঘদিন যাবত মার্কেট-বাসা ও পোল্টিফার্ম বন্ধ করে দিয়েছে দূবৃত্তরা। প্রতিনিয়তই প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে সংর্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রটি। এ বিষয়ে বেলাল হোসেন বিভিন্ন যায়গায় ঘুরাঘরি করেও পাচ্ছেন না ন্যায় বিচার। সরিষাবাড়ি থানায় এ বিষয়ে দুইটি অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রায়েদের পাড়া এলাকায় রাস্তার সাথে একটি দুতলা বিল্ডিং তার নিচ তলায় রায়েছে ভাড়া দেওয়া অনেকগুলি দোকান। প্রতিটি দোকানের ভাড়াটিয়াদের মালামাল বাহির করে দিয়ে লাগিয়েছে তালা। অপর দিকে পোল্টি ফার্মটিও তালাদিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে। ফল্টিফার্মে থাকা বিদ্যুতের মিটার ও তার নিয়েগেছে দূবৃত্তরা। এছাড়াও ফোল্টিফার্মের চারপাশ থেকে গাছগুলিও কেটে নিয়েছে।

স্থানীয় ইউসুফ আলী, আব্দুল হাকিম, আব্দুর রহিম ও শফিকের কাছে এ বিষয় জানতে চাইলে তারা বলেন, আমিনুল হক, হেলাল খান, রুবেল খান, আবু হাসান গংরা সকলের সামনেই সন্ত্রাসী কায়দায় সবগুলি দোকান থেকে ভাড়াটিয়াদের মালামাল ভের করে দিয়ে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। এই দোকান গুলি যদি কেউ খোলতে যায় তাহলে তাকে খুন করা হবে বলে হুমকি প্রদান করে। দুবৃত্তরা এতেও ক্ষান্ত না হয়ে অবশেষে বেলাল হোসেনের পোল্টি ফার্মেও হামলা চালায় সেখান থেকেও বিদ্যুতের মিটার ও তার খোলে নেয়। পরে পল্টিফার্মটিতে তালা লাগিয়েদেয়। এবং বেলাল হোসেনকে দীর্ঘদিন বাড়ির দুতলা থেকে নিচে পর্যন্ত নামতে দেওয়া হচ্ছে না। বেলাল হোসেন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

আমিনুল হক, হেলাল খান, রুবেল খানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি। পরবর্তীতে আবারও যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আমাদের জরিমানা দিলেই আমরা মিল হয়ে যাবো বলে ফোন কেটেদেন।

বেলাল হোসেন বলেন, আমি আর আমার স্ত্রী দুজনে এই বাড়িতে থাকি। আমার একমাত্র ছেলে বিদেশে থাকে। এই সুযোগে আমিনুল হক, হেলাল খান, রুবেল খান, আবু হাসান গংরা আমার বাড়ি-মার্কেট ও পোল্টি ফার্ম দখল করে নেওয়ার জন্যে এ ধরনের কার্য্যকলাপ চালাচ্ছে। আমি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বাড়ির দুতলা থেকে নিচে পর্যন্ত নামতে পারছি না। এ বিষয়ে সরিষাবাড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে ডায়েরী নং১০৭৫ তারিখ ১৬-০২-২০২০ইং।

সরিষাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, এ বিষয়ে আমার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত রির্পোট হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।