জার্নাল ডেস্ক
29 November 2020
  • No Comments

    যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

    মোঃ সোলায়মান হোসেন হরেক, সরিষাবাড়ী :

    জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত দেশের সর্ববৃহৎ যমুনা সার কারখানার (জেএফসিএল) ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) জলি বেগমের অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্তে কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে উৎকোচের বিনিময়ে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে টানা দুই বছর অভারটাইম সুবিধা প্রদানসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। পরে কারখানার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প সংস্থা (বিসিআইসি) কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কর্মকর্তা বিসিআইসি’র ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সেলিম মাহমুদ শনিবার সকাল থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত কারখানায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তদন্ত ও অভিযুক্ত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানার অ্যামোনিয়া ও ইউটিলিটি বিভাগের অ্যামোনিয়া শাখার মাস্টার অপারেটর মোহাম্মদ মফিজুর রহমানকে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর জেএফসিএল পরিচালনা বোর্ড ৩৯২তম সভায় পদোন্নতি দেয়। ক্ষমতা বলে ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) জলি বেগম মফিজুলের পদোন্নতি সংক্রান্ত আদেশ গোপন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কর্মচারী নিয়মানুযায়ী অভারটাইম সুবিধা পান না, তাই মফিজুর রহমানের অফিসার পদে পদোন্নতির বিষয়টি গোপন করে দুই বছর অভারটাইম সুবিধা দেওয়া হয় এবং জলি বেগমের যোগসাজশে তিনি আত্মসাৎ করেন। এছাড়াও বাড়িভাড়া সুবিধা নাম মাত্র টাকায় দেওয়া হয়েছে । এতে সরকারি অর্থের অপচয় হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ হলে তড়িঘড়ি করে পদোন্নতির দুই বছর পর চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর মফিজুর রহমানকে ছাড়পত্র দিয়ে অ্যামোনিয়া শাখা হতে ব্যাগিং শাখার উপ-সহকারী কারিগরী কর্মকর্তা পদে যোগদান করতে বলা হয়। (সূত্র নং- জেএলসিএল/প্রশাসন/শ্রঃ-২১৩/৪৩৬৫,তারিখ ১৫-০৯-২০২০খ্রি.)। এমন অনিয়ম দুর্নীতির ধামাচাপা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর থেকেই তার এ পদোন্নতি কার্যকর দেখানো হয়েছে।
    এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা বিসিআইসি’র ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘তদন্তের কাজ চলছে, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা সম্ভব না।’
    অভিযোগ রয়েছে, জলি বেগম নিজের ইচ্ছামতো অফিস করেন। ‘নগদ সেলামি’ ছাড়া তিনি কোনো ফাইলে স্বাক্ষর করেন না। দৈনিক হাজিরা ভিত্তিক শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে প্রতিমাসে তিনি টাকা কর্তন ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সাথে দূর্ব্যবহার করে

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *