জার্নাল ডেস্ক
9 August 2019
  • No Comments

    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে অবৈধ কোরবানি হাট, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    ময়মনসিংহে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা অমান্য করে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবৈধ কোরবানির হাট বসিয়েছে স্থানীয় একটি ক্লাব। এর ফলে মোটা অংকের টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এনিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে বৈধ ইজারাদারদের মাঝে।
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বাজার পরিদর্শক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম জানান, এবার ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৬টি হাট মোট ৭৪ লাখ ১শত টাকায় ইজারা দেয়া হয়েছে। হাটগুলো হল- সার্কিট হাউজ, জয় বাংলা ছাইত্ত্যান কান্দা, বাকৃবি ১নং গেইট, ঘন্টি রহমতপুর, সুতিয়াখালী জিতেন্দ্রগঞ্জ ও শিকারীকান্দা। দুই প্যাকেজে ৭১ লাখ এবং ৩ লাখ ১ শত টাকায় পৃথক ভাবে এ হাটগুলো বৈধ ঠিকাদারদের মাঝে ইজারা দেয়া হয়েছে।
    সূত্র জানায়, আর.এইচ এন্টাপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম সুমন সিটি কর্পোরেশনের ৬টি হাটের মধ্যে ৫টি হাট ৭১ লাখ টাকায় ইজারা নেন। কিন্তু বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি) এলাকার পূর্বাশা নামক একটি ক্লাব অবৈধ ভাবে স্থানীয় ফসিলের মোড় নামক স্থানে কোরবানি পশুর হাট বসিয়েছে।
    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বাজার পরিদর্শক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, বৈধ হাটগুলোর তালিকাসহ প্রশাসনে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। এর বাইরে কোন অবৈধ হাট বসলে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহন করবে। শুনেছি ওই অবৈধ হাটের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জড়িত। কিন্তু এভাবে হাট বসানোর কোন নিয়ম নেই।
    অবৈধ হাটের বিষয়ে ইজারাদার আরিফুল ইসলাম সুমন জানান, বাকৃবি ১নং গেইটস্থ বৈধ হাটের কিছু দূরে ফসিলের মোড় নামক স্থানে স্থানীয় পূর্বাশা নামক একটি ক্লাব অবৈধ ভাবে হাট বসিয়েছে। এতে আমি ব্যাপক ভাবে আর্থিক ক্ষতির আশংকা করছি। তাছাড়া এ অবৈধ হাটের কারনে সরকার মোটা অংকের টাকা রাজস্ব হারাতে পারে। তিনি আরো জানান, বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে লিখিত ভাবে অবহিত করে অবৈধ হাট অপসারনের দাবী জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অবৈধ হাট পরিদর্শন করলেও এখন পর্যন্ত তা বন্ধ হয়নি।
    সূত্রমতে, এর আগে গত ৩ আগষ্ট জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কোরবানি হাটে বৈধ ইজারাদারদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন। ওই সভায় তিনি অবৈধ হাট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন ইজারাদার আরিফুল ইসলাম সুমন।
    এবিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেন, খোঁজ নিয়ে অবৈধ হাট অপসারনে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *