মুখ বুঁজে মুক্ত ফলাই দৃষ্টান্ত ছাত্রলীগ নেতা জুনায়েদ টিপু

প্রকাশিত: ৩:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:
করোনাকালে কল্যাণমুখী নানা কর্মসূচির কারণে শিক্ষার্থীদের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছেন ছাত্রনেতা জুনায়েদ হোসাইন টিপু। টিপু এমন এক ছাত্র নেতার নাম যিনি ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজে শিক্ষাথীদের কাছে অত্যান্ত প্রিয় একজন।

এটা সৃষ্টি হয়েছে প্রথমত তিনি শুধু নিজে আলোকিতই হন না, আলোকিত করেন চারপাশের পরিবেশকেও। তার ক্যাম্পাসে রাজনৈাতিক কর্মকান্ডে নিয়ে শিক্ষাথীদের মধ্যে এক ধরনের শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়ে আছে ।

‘ঝিনুক নীরবে সহো’ ”ঝিনুক নীরবে সহে যাও, ”ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুঁজে মুক্ত ফলাও! ঝিনুকের খোলসের ভেতরে চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য নিয়ে জন্মায় অতিমূল্যবান রতœ মুক্তা কথাটা তাঁর চরিত্রের সঙ্গে মানানসই।

একদিন আনন্দমোহন কলেজে ঢুকতেই দেখা গেল মূল ফটকে জটলা। সামনে এগিয়ে গেলে স্পষ্ট হয়ে যায় সবকিছু। সকালে কলেজে এসে বিশ্ববিদ্যালয় গেটের মুল ফটকে দাড়িয়ে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করছেন জুনায়েদ হোসাইন টিপু।
করোনাভাইরাস মোকাবিলা কালীন সময়ে ঘরবন্দি মানুষ।অনেক শিক্ষার্থী কর্মহীন হয়ে পড়ে এবং টিউশনি বন্ধ হয়ে যায় ।অনেক শিক্ষাথীরা আর্থিক সংকটে পড়েছে। এমন অবস্থায় তাদেরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সচ্ছ রাজনীতির বাহক হিসাবে তিনি।
এই ছাত্রলীগ নেতা হলেন আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুনায়েত হোসাইন টিপু। কিছু কিছু মানুষ পৃথীবিতে আসেন নিজে আলোকিত হতে আবার কিছু কিছু মানুষ শুধু নিজে আলোকিতই হন না, আলোকিত করেন চারপাশের পরিবেশকেও। টিপু তাদেরই একজন।

ছাত্রলীগের এই নেতা ১৯৯১ সালের মার্চের ১৩ তারিখ ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের সম্ভ্রন্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিকভাবেই আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত বলে জানা যায়। ২০১১ সালে তিনি ভর্তি হন ময়মনসিংহের অক্সফোর্ড খ্যাত আনন্দমোহন কলেজে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ময়মনসিংহের সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটুর হাত ধরে যোগ দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি নিজের পরিচয় প্রসঙ্গে বলেন, আসলে আমি সব সময় নিজেকে নৈাকার লোক বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করতাম। এখনও নিজের এই পরিচয়টা দিতে পছন্দ করি। আনন্দমোহন কলেজের ছাত্র নেতা পরিচয়টা আমাকে কখনও উৎসাহিত করেনি। বুকে দেশপ্রেম আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থাকলে কোনো ভালো কাজই আটকে থাকে না। জননেত্রী মমতাময়ী মা জাতির পিতার যোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে একটি উন্নয়নের মডেল করছেন আমাদেরও উচিৎ স্ব স্ব স্থান থেকে কাজ করে তাঁকে সহায়তা করা। আমার আজীবন লালিত স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সত্যিকার সোনার বাংলা ও জননেত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে তা দেখে যাওয়া। এজন্য ক্ষুদ্র পরিসরে কাজ করে যাচ্ছি আমি।

জুনায়েদ হুসাইন টিপুর বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রাজু জানান, টিপু ভাই প্রতিদিন সকালে কলেজে এসে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট ঘুরে ঘুরে দেখেন কোথায় কি সমস্যা,তা সমাধানের চেষ্টা করেন। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্টদেরকে অবগত করেন। তিনি নিজের জন্য কখনও ভাবেননি।তার ভাবনার মাঝে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথীরা ও সংঘটনের মধ্য সীমাবন্ধ ছিলো।