জার্নাল ডেস্ক
20 November 2020
  • No Comments

    শীতের সকাল, শীতল অনুভূতি

    শিক্ষার্থী লেখকঃ মো ফাহাদ বিন সাঈদ,
    ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ
    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়:

    আজ প্রচুর হঠাৎ ডান্ঠা । একেবারে কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ মোটামুটি ভালোই কুয়াশা পড়ছিলো। আমি এককাপ চা বানিয়ে বসেছিলাম পড়ার টেবিলে। আমি আমার পড়ার কক্ষে একেবারেই জানালার খুব কাছাকাছি এসে বসেছিলাম। নারিকেল গাছের চিরল চিরল পাতা ও পেয়ারা লিচুর পাতা বেয়ে কুয়াশা। শুধু কান পেতে শুনি বৃষ্টির মতো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি মুগ্ধ নয়নে সেই লেগে থাকা কুয়াশাফোঁটা দেখছিলাম চাদর গায়ে দিয়ে। দূরের কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না।শীতের সকালে শীতল আবেশে।

    শীতের সকালে আদা দিয়ে এক কাপ চা চুমুকে শুরো হয় সকাল।জানলার ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে পড়ার টেবিলে সূর্যের রশ্মি আসে।অনু পরিমাণ ক্ষুদ্র বালুকণা বাতাসে ভেসে ভেসে আসেছে।
    শীতের সকাল সে যেনো অন্য ঋতু থেকে আলাদা।শীতের সকালের পরিবেশ না একেবারেই অন্য রকম।

    শীতের সকালে নবান্ন আমান ধানের পিঠা হলে ত আর কথাই নেই। বহু জাতের পিঠা যেনো শীতের সকাল কে আরো মনোমুগ্ধকর করে তুলে।

    মিষ্টি রোদে যেন শরীর অন্য রকম শক্তি সঞ্চয় করে দেয়।শীতের সকাল মানেই একটু অন্য রকম অনুভূতি। শীতের কুয়াশায় ঘর হতে বের হলে দেখা যায় খেজুর গাছে হাড়ি দিচ্ছে। খেজুর এর রস আর নানা রকম এর পিঠা রুচির পরিবর্তন করে বহু গুণে।শীত এসেছে শীতের পূর্ণ রুপ পাবো এই প্রত্যাশাই।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *