জার্নাল ডেস্ক
1 November 2020
  • No Comments

    ত্রিশালে পুলিশে চাকরী দেওয়ার নামে নেতার ঘুষ বাণিজ্য

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    ময়মনসিংহের ত্রিশালে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরীর জন্য ১৪ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেনের বিরুদ্ধে। গত ২৯ অক্টোবর এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃৃৃৃষক আবুল কালাম শেখ বিচার দাবি করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দূর্নীতি দমন কমিশন, আইজিপি কাছে লিখিত নালিশ জানিয়েছেন। এনিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে উপজেলা আওয়ামীলীগের ভেতরে-বাইরে।
    জানা যায়, আওয়ামীলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন উপজেলা সাকুয়াই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য এমপি হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী ও তার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদের অনুসারী।
    ভুক্তভোগী ত্রিশাল উপজেলার পূর্ব পাঁচপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃৃৃৃষক আবুল কালাম শেখ জানান, ছয় সন্তানের জনক তিনি। সংসারের টানাপোড়ন কমাতে এইচএসসি পাশ ছেলে শাকিলকে পুলিশে চাকরীর দেয়ার জন্য আওয়ামীলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেনের দারস্থ হয়। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে চাকরী পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ১৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন তোফাজ্জল হোসেন। কিন্তু শাকিল পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলেও চাকরী হয়নি। এ ঘটনার ছয় মাস পরে তোফাজ্জল সাত লাখ টাকা ফেরত দিলেও বাকি টাকা দেই দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করছেন। বিষয়টি নিয়ে অনেকবার দেন দরবারও হয়েছে বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
    অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন আওয়ামীলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন। তিনি বলেন, চাকরীর জন্য ১৪লাখ টাকা নিয়েছি সত্য কথা। তবে কারো নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা নেয়নি। ইতিমধ্যে সাত লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। বাকি টাকা অচিরেই দিয়ে দিব।
    ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি আব্দুল মতিন সরকার বলেন, পুলিশে চাকরী দেয়ার নামে টাকা নিয়ে দলের সুনাম ক্ষুন্ন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করছি।
    ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাংসদ পুত্র হাসান মাহমুদ বলেন, কেউ যদি আমাদের নাম ব্যবহার করে কোন অন্যায় কাজ করে, তাহলে থাকে কোন ভাবেই ছাড় দেয়া হবে না।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *