ফুলপুরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অনিয়মের তদন্ত চলছে ইউএনও

প্রকাশিত: ৪:৫০ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ময়মনসিংহের ফুলপুরে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারী অর্থ আত্মস্বাতের ঘটনায় খোদ ফুলপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন্নাহার শাম্মী । এনিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে গ্রামীন সড়কে মোট ১০টি সেতু ও কালভার্ট নির্মানে প্রতিটি কাজের প্রকল্পিত মূল্য নির্ধারন হয় ২৪ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত। পরে ঠিকাদারদের সাথে প্রতিটি কাজে চুক্তি মূল্য নির্ধারনে দুর্নীতির মাধ্যমে এক থেকে দুই লাখ টাকা করে কম ধরা হয়েছে। ওই ১০টি সেতু এবং কালর্ভাটের মধ্যে সব চেয়ে কম বরাদ্ধ রাখা হয়েছে উপজেলার বউলি খালের উপর ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু নির্মানে। বাকী ৯টি কাজের প্রকল্পিত মূল্য ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত। অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদাররা দরপত্র অনুযায়ী কাজ পেয়ে নির্মান কাজ শুরু করলেও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাজসে পাইলিং না করেই ব্যায় কম করে নির্মান কাজ সম্পুন্ন করা হয়। এভাবেই প্রতিটি প্রকল্প থেকে মোটা অংকের সরকারী অর্থ আত্মস্বাত করেছেন বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্টরা।
ভূক্তভোগী ঠিকাদার আরো জানান, কোন ধরনের নোটিশ না দিয়েই বা কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন বিল দেওয়া হয়নি জানতে চাইলে বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমার কাছে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ সংক্রান্ত কথোপকথনের প্রমান সংরক্ষিত আছে।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফুলপুর উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন্নাহার শাম্মী জানান, তার বরাবর চলতি বছরের গত ১৭জুন একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন মেসার্স রিজভী কনস্ট্রাকশন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় উপজেলার বউলি খালের উপর ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতু নির্মান কাজ ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা হয় বিগত বছর। ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন টাল বাহানা করে চলতি বছরের ১৬ মে চুক্তিমূল্য হতে ৫ লাখ ১৭ হাজার ৭৪২ টাকা কম দিয়ে চূড়ান্ত বিল প্রদান করে আত্মস্বাত করেছেন এমন অভিযোগের সত্যতা ধরার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছেন তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।