ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনেরে একজন কাউন্সিলারের কর্মকান্ড

প্রকাশিত: ১২:১২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সদা হাস্যজ্জল সদালাপি মানুষ তিনি। এলাকায় রয়েছে অনেক সুনাম। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর কাছে আস্থার প্রতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন এই হাস্যজ্জল মানুষটি। আদর্শ ও ন্যায় নীতির মধ্যে থেকে এলাকার মানুষের পাশে থাকাই এ আদর্শ মানুষটির লক্ষ্য। কোন কিছুর লোভ লালসা আর হিংসা তাকে আক্রমন করতে পারেনি। এসব কারনেই এলাকার অনেকেই প্রশংসা করেন তার ।নাম তার সিরাজুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহের কেওয়াটখালী ২০ নং ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর। দীর্ঘ দিন থেকেই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে রাজনীতির সাথে জড়িত। সাবেক ধর্ম মন্ত্রী প্রিন্সিপাল মতিউর রহমানের আদর্শের হাতে খড়িতেই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। তাই রাজনীতির জীবন শুরুতে ছাত্রলীগ পরে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি কেওয়াটখালীবাসীর তথা তরুণ সমাজের কাছে তার মেধা ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যাপক গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করেন। এ নেতা ২০ ওয়ার্ডে সামাজিক সংগঠন ,খেলাধূলা-সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের জন্য মানুষকে-বিনোদনের ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও তিনি অত্র ওয়ার্ডে বসবাসকারী সাধারণ নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তার জন্য নিজ উদ্যোগে সামাজিক কার্যক্রমে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক পরিসরে রয়েছে ব্যাপক গ্রহণ যোগ্যতা তার। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০নং ওয়ার্ড হতে বিশাল জন সমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছেন সিরাজুল ইসলাম। দলমত নির্বিশেষে সাধারণ নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম, মশকনিধন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে জলবদ্ধতা দুরকরণসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা মাফিক আদর্শ ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যশা নিয়ে উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ময়মনসিংহ ২০নং ওয়ার্ডকে আদর্শ এলাকা রুপান্তরিত করতে মেয়র সহ সমাজে বসবাসকারী সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন ও পাচ্ছেন তিনি।
কেওয়াটখালী ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা এই প্রতিবেদককে জানান, যে কোন প্রয়োজনে সিরাজুল ইসলাম এলাকাবাসী তাকে পাশে পান।দলমত নির্বিশেষে যে কোন মানুষই বিপদে-আপদে তার সহযোগীতা পেয়ে থাকেন। কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর এক-দেড় বছরের মধ্যে তিনি গোটা এলাকাকে পরিকল্পিতভাবে সুসজ্জিত করে তোলেন। তবে সম্প্রতি এলাকার বিভিন্ন অংশের ড্রেনেজ লাইন বন্ধ হয়ে রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যাওয়ায় এলাকার পরিবেশ অনেকাংশে বিনষ্ট হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ড্রেনেজ লাইনের সমস্যা সমাধান করা হবে। আমার ওয়ার্ডে কোন ধরনের সমস্যায় সাধারন মানুষ ভুক্তভোগী হোক এটা আমি চাই না। এছাড়াও ড্রেনেজ লাইনের কাজ চলছে। খুব দ্রুত এ সমস্যা থেকে এলাকাবাসী পরিত্রান পাবে বলে তিনি জানান। আমার এলাকার সমস্যাগুলো সিটি কর্পোরেশন জনপ্রিয় মেয়র একরামুল হক টিটুকে অবগত করার পর তিনি গুরুত্ব সহকারে স্ব-স্ব বিভাগকে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতি মধ্য মেয়রের সহযোগিতায় ৭০ ভাগ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। অবশিষ্ট সমস্যাগুলো দ্রত সমাধান হবে বলে জানান তিনি।

সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কেওয়াটখালী এলাকার চিত্র পাল্টে দিয়েছেন কমিশনার সিরাজুল ইসলাম।ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে চেয়ে তার ওয়ার্ড অনেকটা ব্যতিক্রম। সব স্থান থেকে এখানে উন্নয়নের চিত্র আলাদা। একজন কাউন্সিলরের ইচ্ছা শক্তি খাকলে সব কিছুই সম্ভব তার প্রমান এই ওয়ার্ডের কমিশনার সিরাজুল ইসলাম। এই ওয়ার্ডের প্রতিটি গলির রাস্তাঘাট মেরামত সম্পন্ন করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সড়কের পয়েন্টে ২৫৩টি সেটসহ সড়ক বাতি স্থাপন নির্মান প্রকল্পের কাজও করেছেন। তার উল্লেখ যোগ্য কাজের মধ্য পিডিবি গেট হতে বাইপাস পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মান করেন। রেললাইন হতে মোড়ল বাড়ী পর্যনÍ আরসিসি রাস্তা নির্মান।মধ্য পাড়া ইসমাইল মুন্সির বাড়ী হতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রাস্তা ও ড্রেন নির্মান।সেলিম মহজনের দোকান হতে সরজিৎ মাষ্টারের বাড়ী পর্যন্ত সম্পুর্ন নতুন রাস্তা ও ড্রেন নির্মান।।আইনুদ্দিন মন্ডলের বাড়ী হতে মোড়ল বাড়ী মসজিদ পর্যন্ত আরসিসি ঢালাই ও পাইপ ড্রেন নির্মান। আবুল মেম্বারের বাড়ী হতে পিডিবি রোড পর্যন্ত ১১টি পাইপ ড্রেন নির্মানসহ রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে ৭টি চলমান প্রকল্প , ময়নার মোড়, বিসিকের পেছনের এলাকা,সরকার বাড়ী, মজিদ মেম্বারের বাড়ীর বিস্তৃন্ন এলাকা সম্পুর্ন নতুন করে পানি সরবাহের কাজ প্রায় সমাপ্তির পখে। এছাড়া ময়নার মোড়ের সন্নিকটে একটি পাম হাউজ স্থাপন করা হয়েছে। এলাকাকে পরিছন্ন রাখতে তিনি সপ্তাহে এক দিন নিজ উদ্দ্যেগে পরিছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন। এলাকায় মাদক, বাল্য বিবাহ, জুয়াসহ বিভিন্ন অভিযানেও তিনি সংক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।