জার্নাল ডেস্ক
26 July 2020
  • No Comments

    ভালুকা গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক :

    ময়মনসিংহের ভালুকা খাদ্য গুদাম হতে পরিষদের নামে বরাদ্দের চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।তবে তিনি সিএসডির গুদাম হতে চাল ওজনে কম এসেছে বলে ইঙ্গিত করেন ম্যানেজার কাজী মোঃ গোলাম কিবরিয়া বিরুদ্ধে। এ নিয়ে তোলপার সৃষ্টি হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের ভিতরে বাইরে। গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।

    জানা যায়, সরকার গরিব দু:স্থ ও অসহায়দের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকল্পে দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলে ভিজিএফ কর্মসূচী চালু করেছে। এ কর্মসুচীর অংশ হিসাবে এই ভিজিএফ চাল বিতরণে ভালুকা খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উঠেছে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ । এতে সরকারের ভাবমূর্তী যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তেমনি বঞ্চিত হচ্ছেন অসহায় দু:স্থরা । ভিজিএফ চাল বিতরণে নিন্মমাণের চাল এবং ওজনে কম দেয়ার লিখিত অভিযোগে করেছেন হবিরবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ বাচ্চু।

    হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ বাচ্চু জানান, আমি গত বৃহস্পতিবার দিন আমার ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ১৬৫ টন চাল উত্তোলনের জন্য যাই। যার মধ্যে একটি ট্রাকে ৬৭০বস্তা (২০টন) চাল ভরে ইউপি কার্য্যালয়ে নিয়ে আসার পর লেবাররা চাল নামানোর সময় আমার সন্দেহ হয়। ৩০কেজি স্থলে ২০/ ২৫ কেজি করে চাল পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ট্রাক স্থানীয় বাদশা টেক্সটাইল মিলে নিয়ে স্কেলে ওজন দেওয়ার পর ৩৯০কেজি চাল পাওয়া যায়। বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে অবহিত করে আমি লিখিত আকারে বিষয়টি জানিয়েছি। খাদ্য গুদাম হতে আমাকে বলছে কম পরা চাউল দিয়ে দেওয়া হবে। অভিযোগ উঠেছে ভালুকা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা আবুল বাশার নিন্মমানের চাল সরবরাহ ও চাল ওজনে কম দিয়ে অবৈধভাবে মুনাফা লুটেছে ।

    ভালুকা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল বাশার বলেন, আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে অসহায় দু:স্থরা মাঝে বিতরণের জন্য ভিজিএফ কর্মসুচীর চাল ২৪ জুলাই সিএসডি গুদাম হতে ভালুকা গুদামে ট্রাকে করে চাল আসে । ওই চাল হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের দু:স্থদের মাঝে বিতরণে জন্য পাঠানো হয়। পরে জানতে পারি চেয়ারম্যান সাহেব ৩০কেজি স্থলে ২০/ ২৫ কেজি চাল পেয়েছেন।

    সিএসডির ম্যানেজার কাজী মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়েছে এবং মিমাংসা হয়েগেছে।

    ঘটনার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল জানান, এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাইনা। বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মহোদয়কে জানিয়েছি তারা বিষয়টি দেখবেন।

    জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান জানান, বিষয়টি আমি আবগত এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে । জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করছেন এখনও রিপোট পায়নি।

    তবে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জহির আহম্মেদকে ফোনে চেষ্টার পরেও পাওয়া যায়নি।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *