মসিকের সড়ক নির্মানে নিন্মমানের সামগ্রী, নেই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা

প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) ১৯ নং ওয়াডের্র ভাটিকাশর আলীয়া মাদ্রাসা হতে সেলিমের মোড় হয়ে সুরুজের বাড়ী পর্যন্ত ১৭শত ২৫মিটার সড়ক নির্মাণে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারা কাজের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ মুখর স্থানীয় বাসিন্দারা। এনিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে সচেতন মহলে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্মানাধীন সড়কটির বেশির ভাগ অংশ জুড়ে হরহামেশাই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে থাকে। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে ব্যাপক দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়। ফলে কাঁদামাথা দূর্গদ্ধযুক্ত পানি মারিয়ে পথ চলতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। অথচ পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করেই দায়সারা ভাবে সড়ক নির্মাণে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এতেও ব্যবহার হচ্ছে নিন্মমানের ইট-সুরকি। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে সড়ক নির্মান করলে দূর্ভোগ লাগব হবে না। ফলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নির্মানাধীন সড়কের একটি স্থানে কাজ বন্ধ করে দিলে সংশ্লিষ্ট সহকারী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মসিক সূত্র জানায়, নির্মানাধীণ ১৭ শত ২৫ মিটার সড়কের নির্মাণ ব্যায় ধরা হয়েছে ৮০ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫৯ টাকা। তবে এ সড়কের নির্মান কাজের সাথে পানি নিষ্কাশন কাজের কোন যোগসূত্র নেই।

অভিযোগ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মো: রায়হান জানান, কাজটি পুরাতন রেইটের। এর প্রথম ধাপে ৪ইঞ্চি ফিটনেস মেগাডম কাজ হচ্ছে, পরে ৪০মিলি কার্পেটিং হবে। তিনি জানান, নিন্মমানের সুরকি বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ সুরকি রং দেখতে ভালো না হলেও মান ভালো। তবুও এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ওই সুরকি সরিয়ে নেয়া হবে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী মো: জসিম উদ্দিন বলেন, নির্মাণ কাজের কিছু স্থানে নিন্মমানের ইট-সুরকির ব্যবহার হয়েছে এবং কিছু স্থানের সামগ্রীর মান ভাল। ফলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নিন্মমানের সামগ্রী সরিয়ে মানসম্পুন্ন সামগ্রী দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ওই এলাকার আন্ডারগ্রাউন্ড ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ইদানিং কিছুটা সমস্যা হওয়ার পানি নিষ্কাশনে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি আরো তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এবিষয়ে মসিকের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম মিঞা বলেন, সড়ক নির্মাণে অনিয়মের বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ শুনেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।