জার্নাল ডেস্ক
1 July 2020
  • No Comments

    ফুলবাড়িয়া পৌরসভার মশক নিধন স্প্রে সিংহভাগ টাকা লুটপাট

    সাইফুল ইসলাম তরফদার,ফুলবাড়িয়া : ফুলবাড়িয়া পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের বসত বাড়িসহ সরকারী বে-সরকারী অফিস পাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন স্প্রে ফটোসেশনের মাধ্যমে দায়সাড়া ভাবে সীমাবদ্ধ। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে পৌর কর্তব্যক্তিরা। পৌরসভার নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বাস্তবে তার কোন নমুনা দেখা যায়নি পৌর এলাকায়। আবার যেখানে নামমাত্র দেখা গেছে সেখানে বিকন ঔষধের পরিবর্তে অল্প কিছু ব্লিচিং পাউডার স্প্রে করার অভিযোগ শুনা গেছে। তবে পৌর সংশ্লিষ্টরা এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একদিকে করোনা আতঙ্ক, অন্যদিকে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় পৌরবাসী দিশেহারা। প্রতিটি ওয়ার্ডেই চলছে মশার আক্রমণ। ঘনবসতি এলাকার বিভিন্ন পুকুর, ডোবা, ড্রেনসহ অর্ধশতাধিক স্থানে এখন মশা তৈরির কারখানায় রূপান্তরিত হয়েছে।
    মশা নিধনের জন্য পৌরসভার লোকজন ফগার মেশিন দিয়ে রাস্তায় ১ দিন ওষুধ দিয়ে চলে গেছে। এভাবে ফাঁকা রাস্তায় ওষুধ দিয়ে তো কোনো লাভ নেই। ওষুধ দিতে হবে ড্রেন, বিভিন্ন পুকুরে। অথচ তা না করে রাস্তা দিয়ে এক দিন ফগার মেশিনের ধোঁয়া দিয়ে চলে গেছে। এভাবে কোন মশা মারা সম্ভব না।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরবাসী জানিয়েছেন, সারা দেশে যেভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, এরমধ্যে আবার ডেঙ্গু রোগ ছড়িয়ে পড়লে তো এবার নিস্তার নেই। এ থেকে মুক্তি পেতে পৌরবাসী ফগার মেশিন দিয়ে দায়সারা নয়, স্থায়ীভাবে মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।
    সাবেক কাউন্সিলর আবুল ফজল বলেন, উপজেলা পরিষদের আশ পাশে ধোঁয়া- টোয়া দেখেছি। কিন্তু বাহিরে কোন শব্দ শুনি নাই।
    কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম বলেন, বড় ফগার মেশিন দিয়ে মাঝেমধ্যে দেয় কিন্তু নিয়মিত দেখি না।
    পৌর সচিব জানিয়েছেন হারুনুর রশিদ জানান, ব্লিচিং পাউটার জাতীয় বিকন ঔষধ ছিটিয়ে আমরা পৌর এলাকায় ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রনে কাজ করছি। আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত আমরা এ ঔষধ ছিটানো হবে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *