জার্নাল ডেস্ক
20 June 2020
  • No Comments

    সাংবাদিককে তথ্য প্রদানে নারাজ নান্দাইল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    তথ্য প্রাপ্তি বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকারের একটি অবিচ্ছেদ্ধ অংশ হওয়ায় নাগরিকদের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ নামে নির্দিষ্ট আইন প্রণীত রয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য প্রদানের বিষয়ে বলা হয়েছে এ আইনে। তবে নান্দাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ আইন মানছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ময়মনসিংহের বিভাগীয় শহরে র্কর্মরত সাংবাদিকরা নান্দাইল উপজেলার ২০১৯-২০ অর্থবছরে অতিদরিদ্রদের জন্য ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (কর্মসৃজন) প্রকল্পের মৌলিক তথ্য চাইলেও তা প্রদানে অনীহা দেখান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের কর্মকতা মো. আ: আলীম। এতে জনগণের সুনির্দিষ্ট অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করেন সাংবাদিকরা । তথ্য প্রকাশে কর্মকর্তাদের এমন অনীহা এবং অসহযোগীতা সংশ্লিষ্ট কাজে অস্বচ্ছতার ইঙ্গিত বলে মনে করেন তারা।
    জেলায় কর্মরত দৈনিক ভোরের পাতা ও বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক জানান,১৪ই জুন রোবার দুপুর ১২টায় বিভিন্ন বিষয়ের তথ্য প্রাপ্তির জন্য নান্দাইল যেতে হয়। কর্মকর্তাকে অফিসে না পেয়ে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অফিসে আসতে পারবেন না বলে জানান। প্রকল্প কর্মকর্তা সাংবদিককে প্রশ্ন করেন কি তথ্য লাগবে? প্রত্যুত্তরে ওই সাংবাদিক ২০১৯-২০ অর্থবছরে কর্মসৃজন প্রকল্পের তথ্য চান , জানার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পুনরায় তাকে ফোন করলে তিনি বলেন এই প্রকল্প কোন অনিয়ম নেই পত্রিকায় লিখে দেন। আর আমি কোন তথ্য দিতে পারবোনা। এ বিষয়ে তাকে অনুরোধ করলেও দিচ্ছি, অনুমতি লাগবে, পরে আসেন’ ইত্যাদি বলে এড়িয়ে যান।
    প্রকল্প কর্মকর্তার এমন অসহযোগীতামুলক আচরনের বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বলেন,বিয়য়টি দু:খ জনক তিনি তথ্য দিবেননা কেন আমি তার সাথে কথা বলবো বলে জানান।
    তথ্য প্রদানে অনীহা দুরভিসন্ধিমূলক এবং কোন অনিয়ম ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হতে পারে মন্তব্য করে নান্দাইল উপজেলা যুগান্তরের প্রতিনিধি এনামুল ইসলাম বাবুল বলেন, নির্দিষ্ট কিছু বিষয় ছাড়া সব তথ্য দিতেই বাধ্য তারা। তারা তথ্য না দিলে প্রতিবাদ করতে হবে এবং আইনের আশ্রয় নিতে হবে। এটা আইনী অধিকার।
    উল্লেখ্য নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপু ও খারুয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে নামমাত্র প্রকল্পের মাটি কাটাসহ মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের প্রকল্পের সভাপতি ও ইউপি চেযারম্যান নিজেদের পছন্দের লোককে শ্রমিক দেখিয়ে তাঁদের মাধ্যমে ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন । প্রকল্পের সভাপতি কৌশলে এসব শ্রমিকের হিসাব নম্বর থেকে টাকা উত্তোলন করে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করছেন। খুব আল্প সংখ্যক শ্রমিক সরাসরি নিজে টাকা উত্তোলন করলেও তাদের নিকট হতে টাকা কেড়ে নিয়ে নামমাত্র কিছু টাকা দিয়ে তাদের বিদায় করা হয় এমন অভিযোগের সত্যতা সরেজমিনে পাওয়ার পর এই বিষয়ে বিভিন্ন তথ্যর প্রয়োজন হয় ওই সাংবাদিকের।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *