জার্নাল ডেস্ক
10 June 2020
  • No Comments

    ধোবাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের নামে মিথ্যা অভিযোগ

    ধোবাউড়া(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় কর্মরত দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি ও ধোবাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেমের নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে উপজেলার বতিহালা গ্রামে বিদ্যুতের সংযোগের নামে অর্থ আত্বসাতের একটি অভিযোগে সাংবাদিককে জড়ানো হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,২০১৭ সালে বতিহালা গ্রামের ২৮ জন গ্রাহকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। টাকা উত্তোলনে সহায়তা করেন ঐ গ্রামের সবুজ মিয়া ও এরশাদ মিয়া। উত্তোলনকৃত টাকা সবুজ ফকির ও রফিকুল ইসলাম(সাঈদ) এর মাধ্যমে ধোবাউড়া উপজেলার বিদ্যুতের দালাল হিসেবে পরিচিত রাসেল মিয়াকে দেওয়া হয়। রাসেল মিয়া টাকা একটি সাদা কাগজে নিজ স্বাক্ষরে গ্রহণ করেন।কিন্তু ৩ বছর অতিবাহিত হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ আসেনি।এ ঘটনায় ঐ ২৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে একটি কুচক্রী মহল সাদা কাগজে ইচ্ছার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর এনে নিজেদের ইচ্ছামত অভিযোগ লিখেন। ঐ এলাকাটি সাংবাদিক হাশেমের গ্রামের বাড়ি হওয়ায় শত্রুতার জেরে অভিযোগে সবুজ ফকির ও সাঈদ মিয়ার সাথে নামটি জড়িয়ে দেয়। এ ব্যাপারে বতিহালা গ্রামের সবুজ ফকির বলেন গ্রামের লোকজন টাকা উত্তোলন করার পর আমি ও রফিকুল ইসলাম সাঈদ টাকা রাসেলকে দিয়েছি,কোন সাংবাদিককে টাকা দেয়নি এবং রাসেল টাকা নিয়েছে তার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। রাসেল মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঐ এলাকার সংযোগের কাজও শেষ করেছি। উল্লেখ্য যে,রাসেল মিয়ার নামে অতীতে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অর্থ আত্বসাতের বেশ কয়েকটি সংবাদ যুগান্তরসহ বেশ কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের নামে এমন মিথ্যা মানহানিকর অভিযোগ করায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রেসক্লাবের সভাপতি জালাল উদ্দিন সোহাগসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা।এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ করছেন সচেতন মহল।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *