সরিষাবাড়ীর মেয়রকে ধরতে মাঠে নেমেছে পুলিশ

প্রকাশিত: ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২০

মো: সোলায়মান হোসেন হরেক ,সরিষাবাড়ী :
জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌর মেয়র রুকুনুজ্জামানের স্বেচ্ছাচারীতা নিযোগ বানিজ্য একক আধিপত্য অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে। এ সব অভিযোগে মেয়রের বিরুদ্ধে অনাস্থা ও দল থেকে বহিস্কার করা হয়। এতে মেয়র কাউন্সিলদের মধ্যে বিরোধ চরমে উঠে। সৃষ্টি হয়েছে হামলা মামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে মেয়র রুকুনুজ্জামানসহ তার সহযোগিরা। এদের খোঁজতে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
অভিযোগে জানা যায়, সরিষাবাড়ী পৌরসভায় রুকুনুজ্জামান মেয়র নির্বাচীত হওয়ার পর থেকে কাউন্সিলরদের সাথে সম্বনয় না করে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। এতে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অনিয়ম, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নারী কেলেঙ্কারী কর্মকান্ডে। এ অভিযোগে ২মে মেয়র রুকুনুজ্জামানকে অনাস্থাসহ পৌরসভায় প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষনা করেন ১২ জন কাউন্সিলর। একই দিন পৌর কাউন্সিলরদের অনাস্থার ঘটনায় উপজেলা আওয়ামীলীগ ত্রানের চাল চুরির দায়ে দল থেকে বহিস্কার করে মেয়রকে। এর ফলে মেয়র ও কাউন্সিলর পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরমে উঠে। একপর্যায় কাউন্সিলরদের দেয়া শর্ত না মেনে গত ১০ মে সকালে পৌরসভায় প্রবেশের চেষ্টা চালায় মেয়র। এতে বাধা দেয় কাউন্সিলররা। এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়র তার দলবল নিয়ে কাউন্সিলরদের ওপর হামলা চালায়। এ হামলা হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরে মেয়র রুকুনুজ্জামান কাউন্সিলরদের প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ক্ষতি করার প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এরপর কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে ফয়দা হাসিল করতে বৃহস্পতিবার রাতে মেয়র তার দলবল নিয়ে সরিষাবাড়ী অনার্স কলেজ মাঠে মুক্তমঞ্চসহ ৪টি খেলোয়ার ভাস্কর্য ভাংচুর করে। এ মুক্তমঞ্চ ভাস্কর্য গুলো পৌরসভার অর্থায়নে করা হয়ে ছিল। এ ভাংচুরের অভিযোগে পৌর ১নং ওয়ার্ড় কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম বাদি হয়ে মেয়র রুকুনুজ্জামানসহ তার সহযোগি সাইফুল ইসলাম টুকন ও জাবেদ মোঃ ওয়ারেছ আলী ওরফে সোহেল গং ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাইফুল ইসলাম জানান, মেয়রসহ আসামীদের খুঁজা হচ্ছেএবং মামলার তদন্ত কাজ চলছে।